পল্লবী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় জাহের আলভী নাটকের শুটিংয়ের কাজে নেপালে অবস্থান করছিলেন। তবে ইকরার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখছে। পল্লবী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) জানিয়েছেন, মামলার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলভী ও ইকরার দাম্পত্য জীবনের গল্পটিও ছিল বেশ বৈচিত্র্যময়। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর তাঁরা পরিবারের অগোচরে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখার পর ২০২৪ সালে তাঁরা জনসমক্ষে তাঁদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেন। এই দম্পতির সংসারে ‘প্রিয়মায়া’ নামে একটি সন্তান রয়েছে। ১৪ বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের এমন করুণ পরিণতিতে শোকাভিভূত তাঁদের পরিচিত মহল।
স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে নেপাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জাহের আলভী। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশে থাকাকালীন এই দুঃসংবাদ পাওয়ার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতে এবং কোনো ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়াতে তিনি গণমাধ্যম ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
পুলিশের তদন্তে এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে ইকরার আত্মহত্যার পেছনে প্রকৃত কোনো প্ররোচনা ছিল কি না। মিরপুর পল্লবী থানার ওসি জানিয়েছেন, ময়নাতদন্ত ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একজন জনপ্রিয় অভিনেতার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিনোদন অঙ্গনেও চলছে নানা আলোচনা।