মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ১২টিরও বেশি দেশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি ওই অঞ্চলের জলসীমায়ও যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ মোতায়েন করা আছে।
এসব ঘাঁটিতে সামরিক ও বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আছেন বলে ধারণা করা হয়। তাছাড়া রয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এসব ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান।
এর আগে গত বছর জুনে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর এসব সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের সম্ভাব্য ‘টার্গেট’ (লক্ষ্যবস্তু) হয়ে দাঁড়ায়। ইরান আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল যে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য তারা “সমস্ত বিকল্প খোলা রাখছে।”
পরে কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালায় ইরান।
ইরানে গত ২৮শে ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আবারও এই মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করলে বা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা হবে বলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ইরান সরকার।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি কোনো নতুন বিষয় নয়। ইরাকে যুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেনা সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। আফগানিস্তানে যুদ্ধের সময়েও মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।