1. admin@bdlive24news.com : admin :
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোরবানির গোশত কাটছেন অপু বিশ্বাস, ভিডিও ঘিরে আলোচনা ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ শেষে পাড়া-মহল্লায় চলছে পশু কো/র/বা/নি জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সারাদিন শুয়ে-বসে থাকে অলস ষাঁড়, নাম রাখা হলো কমিশনার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বিভিন্ন জেলায় ঈ দ উদযাপন আশুলিয়া মহাসড়কে ১৯ কিলোমিটার তীব্র যানজট চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামের একাংশে ঈদুল আজহা উদযাপন সন্ধ্যার মধ্যে ৮০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে যে ৬ জেলায়

বিশাল দেহ আর রাজকীয় যত্নে নজর কেড়েছে ‘জামাল মিয়া’

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

প্রান্তিক খামারিদের কাছে কোরবানির পশু শুধু ব্যবসা নয়, বরং বছরের পর বছর ঘাম ঝরানো শ্রম, ভালোবাসা ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার প্রান্তিক খামারি জাহিদ-ছাবিনা দম্পতি। তাদের খামারে যেন গড়ে উঠেছে মানুষ আর পশুর এক অনন্য মায়ার গল্প।
নিজেদের সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করা বিশাল আকৃতির গরুটির নাম রেখেছেন ‘জামালপুরের জামাল মিয়া’। এবার ঈদের হাটে এই গরুই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।

উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের কুলকান্দি গ্রামের খামারি জাহিদ ও ছাবিনা দম্পতি জানান, প্রায় আড়াই বছর ধরে লালন-পালন করা গরুটির ওজন প্রায় ৩৬ মণ বা প্রায় ১ হাজার ৪০০ কেজি। বিশাল আকৃতির পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা ও ভালোবাসার কারণেও গরুটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

খামার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন নির্ধারিত খাদ্যের পাশাপাশি গরুটিকে মিষ্টি আলু ও বিভিন্ন ফল খাওয়ানো হয়, যা তার খুবই পছন্দের। পরিবারের সদস্যের মতোই গরুটির দেখভাল করেন সবাই।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির গরুটিকে গোয়ালঘর থেকে বের করতে ১০ থেকে ১২ জনকে রশি টানতে হয়। গরুটিকে সামলানো কঠিন হলেও পরিচর্যায় ব্যস্ত পুরো পরিবার। তবে আকার ও শক্তির কারণে সাধারণ মানুষ কিছুটা ভয়ে খুব কাছে যেতে সাহস পান না।

গরুটিকে এক নজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল মিয়া বলেন, “এত বড় গরু এলাকায় খুব কম দেখা যায়। জাহিদ-ছাবিনা দম্পতি অনেক কষ্ট করে গরুটি লালন-পালন করেছেন। তারা যেন ন্যায্য দাম পান, সেটাই চাই। এতে অন্যরাও গরু পালনে উৎসাহিত হবে।”

খামারি জাহিদ মিয়া বলেন, “হালাল উপার্জনের আশায় চাকরি ছেড়ে খামার গড়েছি। নিজের সন্তানের মতো গরুটিকে লালন-পালন করেছি। এখন বিক্রি করতে হবে ভাবতেই খারাপ লাগছে। তবুও সংসারের প্রয়োজনে বিক্রি করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “গরুটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করেছি। কোনো ধরনের ক্ষতিকর মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি। শুধু যত্ন আর পরিচর্যার মাধ্যমেই আজকের এই ‘জামাল মিয়া’। গরুটির ন্যায্য দাম হিসেবে ৯ লাখ টাকা আশা করছি। এর কমে বিক্রি করলে লোকসান হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT