1. admin@bdlive24news.com : admin :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিয়ের পিঁড়িতে টুকাই ইয়াসিন ও তাহমিনা নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, স্বস্তির খবর—নিরাপদে অপু বিশ্বাসসহ পুরো শুটিং ইউনিট কার ইন্ধনে বিদেশ পালাচ্ছিলেন ডন, জানতে ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি রাসেল মিয়ার নতুন ছবি পাত্রী চাই,সাথে নায়িকা পলি শ্রীনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত মৃত সাংবাদিক পরিবারের হাতে সহায়তার চেক, বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সময়ের সঙ্গে নিজেদের আপডেট হওয়া খুব জরুরি: অপু বিশ্বাস স্টাইলিশ আউটফিটে অপু বিশ্বাস, নজর কাড়লেন নেটিজেনদের সালমান শাহকে ঘিরে নতুন আলোচনা, ‘মিথ্যা সাময়িক’ লিখে রহস্য বাড়ালেন শাবনূর

তাসনিয়া ফারিণের মা স্কুলের জানালায় কেন ওড়না বেঁধে রাখতেন?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬


অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের আজকের অবস্থানে আসার পেছনে পুরো অবদানটুকু মা সৈয়দা শারমীনের। মা দিবস সামনে রেখে নকশার আয়োজনে এই মা–মেয়ে শোনালেন তাঁদের গল্প।

মা সৈয়দা শারমীনের কারণেই আজকের তাসনিয়া ফারিণ সফলপোশাক: কাদম্বরী এক্সক্লুসিভ বাই রজবী, সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: শেফ’স টেবিল কোর্টসাইড, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়, ছবি: সুমন ইউসুফ
‘একটু একটু করে যখন বড় হচ্ছি, খুব বিরক্ত হতাম, যখন সবকিছুতেই শাসন করতেন মা। ফোন ধরা যাবে না, সময়মতো পড়তে বসতে হবে, গান করতে হবে, ঠিকমতো খেতে হবে—এসব নিয়মানুবর্তিতায় মনে হতো আমার মা–ই কি পৃথিবীর সবচেয়ে কড়া মা। কোথায়, আমার বন্ধুদের মায়েরা তো এমন না। তবে এখন বুঝতে পারি, মায়ের সেই নিয়মকানুন আমাকে শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনে সাহায্য করেছে। মায়ের কারণেই আজ আমি তাসনিয়া ফারিণ হয়ে উঠতে পেরেছি।’

মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস। এ উপলক্ষে ‘নকশা’র বিশেষ আয়োজনে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও তাঁর মা সৈয়দা শারমীনকে নিয়ে নকশার ফটোশুট হলো মাদানী অ্যাভিনিউর শেফ’স টেবিলে। বিয়ের পর ফারিণ চলে গেছেন রাজধানীর উত্তরায় আর মা থাকেন ইস্কাটনে। ছবি তোলার দিনটি মা-মেয়ে যেন ফিরে গেলেন তাঁদের পুরোনো দিনে।

ফারিণ এখনো ছাড়েননি মায়ের হাত
ফারিণ এখনো ছাড়েননি মায়ের হাতপোশাক: কাদম্বরী এক্সক্লুসিভ বাই রজবী, সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, স্থান কৃতজ্ঞতা: শেফ’স টেবিল কোর্টসাইড, ফটোশুট সমন্বয়: বিপাশা রায়, ছবি: সুমন ইউসুফ
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর প্রথম মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছিলেন ফারিণ। বন্ধুরা অনেক আগে থেকেই ফোন আর ইন্টারনেট ব্যবহার করত। এইচএসসি পর্যন্ত সব জায়গাতেই ফারিণের সঙ্গে মা যেতেন। তবে সেই বয়সে মায়ের সবকিছু একটু বাড়াবাড়ি মনে হলেও এখন ফারিণ উপলব্ধি করেন, তাঁর এত ভালো একাডেমিক ক্যারিয়ার, স্কুলিং মায়ের কারণেই সম্ভব হয়েছে।

ফারিণের কথার মাঝেই মা সৈয়দা শারমীন বললেন, ছোটবেলা থেকেই ফারিন বেশ লক্ষ্মী। ঘরের মেঝেতে কার্পেটের এক জায়গায় ওকে বসিয়ে খেলনা, বই বা রং–পেনসিল দিয়ে রাখলে সে সেখানে তা দিয়েই কাজ করত বা খেলত। দুই ভাই–বোনের মধ্যে ফারিণ বড়। ছোট ভাই মাহির ধ্রুব এখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকে।
বাবা জামিলুর রহমানের সরকারি চাকরির কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভিন্ন ভিন্ন স্কুলে পড়েছেন তাসনিয়া ফারিণ। মাত্র তিন বছর বয়সে কক্সবাজার কেজি স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু। সেই সময়কার একটা মজার ঘটনা শেয়ার করলেন। ক্লাসের জানালা থেকে মায়ের ওড়না দেখতে দেখতে ক্লাস করতেন ফারিণ। প্রতিদিন তো মায়ের এত সময় বসে থাকা সম্ভব হতো না, বাসায় অনেক কাজ থাকত। তাই ফারিণের মা যে ওড়না পরে আসতেন, জানালার কাছে তা ঝুলিয়ে রাখতেন। অনেক দিন পর বিষয়টি বুঝতে পারেন ফারিণ।
যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠবেন, সেই সময় পত্রিকায় হলি ক্রস স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখে মাকে দেখান ফারিণ। আগে থেকেই মায়ের ইচ্ছা ছিল মেয়ে এই স্কুলে পড়ুক। দিনরাত পড়াশোনা করে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে রীতিমতো অনেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ভর্তির সুযোগ পান ফারিণ। হলি ক্রসে পড়াশোনায় অনেক চাপ ছিল। সহশিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত করেও স্কুলে প্রথম থেকে ১০–এর মধ্যে স্থান অধিকার করে নিতেন ফারিণ

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT