জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ফ্যামিলি কার্ডের কথা জনগণকে বলেছিলাম নির্বাচনের আগে, সেই ফ্যামিলি কার্ডটি মানুষ গ্রহণ করেছে এবং আপনি (হাসনাত আবদুল্লাহ) নিজেও সাক্ষী। আপনার নির্বাচনী এলাকায় আপনাকেও নারীরা ঘিরে ধরেছিল ফ্যামিলি কার্ড চাওয়ার জন্য। আপনি উত্তরে বলেছেন, যে মুহূর্তে ফ্যামিলি কার্ড সরকার দেবে, আপনি চেষ্টা করবেন তাঁদের ডিস্ট্রিবিউট করার।’
পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো সরকারের একবারে এটা করা সম্ভব নয়। সবার তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। প্রথম পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে বাজেট তৈরি করে কার্ড দেওয়া বাড়ানো হবে।
বাচ্চাদের জন্য বই কিনবে। যে মানুষগুলো পাচ্ছে, তারা ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে। তাদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র দেশীয় কারখানায় তৈরি। ফ্যামিলি কার্ডের টাকা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ছড়াবে। এটা স্থানীয় শিল্পায়নে ভূমিকা রাখবে, কর্মসংস্থান বাড়াবে।