বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হজরত ইব্রাহিম (আ.), তাঁর স্ত্রী হজরত হাজেরা এবং প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের সামনে সমাগত।ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ ও কোরবানির মহান আদর্শে উজ্জীবিত করে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার চেতনা জাগ্রত করে।’ত্যাগ ও কোরবানির মানসিকতা নিয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে।’
ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘দেশ থেকে ফ্যাসিবাদী শক্তি পালিয়ে গেলেও দেশ এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি।
তিনি বলেন, ‘সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কোরবানির শিক্ষা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।তারা বিদেশে অবস্থান করে এবং দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থেকে নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশ যাতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তারা নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে যাচ্ছে।’
এসব চক্রান্ত রুখে দিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আমরা হজরত ইব্রাহিম (আ.), হজরত হাজেরা এবং হজরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের ইতিহাস গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁদের সেই ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যদি আমরা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জানমাল ও প্রিয় বস্তু কোরবানি করতে পারি, তবেই আমাদের ত্যাগ ও কোরবানি আল্লাহর নিকট কবুল ও সার্থক হবে, ইনশাআল্লাহ।’
বিবৃতিতে তিনি দেশবাসীর সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করেন এবং নিজের ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।