মধুবন সিনেপ্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল গণমাধ্যমে জানান, মাসের পর মাস লোকসান গুনতে গুনতে তারা বাধ্য হয়ে হলটি বন্ধ করেছিলেন। তবে এই হলের সঙ্গে তাদের পারিবারিক আবেগ গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, সিনেপ্লেক্স টিকিয়ে রাখতে ভালো সিনেমা দরকার। নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় থাকা এই হল মালিক আশা করছেন, নতুন সরকার দেশি সিনেমার পাশাপাশি বিদেশি ভালো সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়ে তাদের মতো হল মালিকদের সহযোগিতা করবেন।
একসময় বগুড়া জেলাজুড়ে ৩৮টি সিনেমা হল সচল থাকলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৭টিতে। এরই মধ্যে ৩১টি হল চিরতরে ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিনেমা হলের এমন ভয়াবহ সংকটের মুখে মধুবন সিনেপ্লেক্স পুনরায় চালু হওয়ার খবরটি স্থানীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বড় একটি স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।