মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর কড়াইল বস্তির পাশের বনানীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে। তবে সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ লক্ষ্যেই কাজ করছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের জন্য নেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নারীর ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না করা গেলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ৩৭ হাজার ৫৬৭ জনকে এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে কড়াইল, সাততলা ও ভাষানটেক এলাকার ১৫ হাজার নারী আজ ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের সহায়তায় আগামী মাসের মধ্যেই ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে।